0%
Loading ...

আল বাক্কা
আবাসন সিটি

সাধ ও সাধ্যের সমন্বিত স্বপ্নের সফল বাস্তবায়ন…

কিছু কথা

মহান স্রষ্টার সৃষ্ট প্রতিটি জীব প্রকৃতির মাঝে খুঁজে ফিরে তাঁর আপন সুখের ঠিকানা। মানুষের জীবনে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বাসস্থান ছাড়া একেবারে অচল।

সামাজিক জীব হিসেবে সমাজবদ্ধ হয়ে সুন্দর জীবন যাপনের জন্য পরিচ্ছন্ন পরিবেশে নির্মল আনন্দে বসবাস উপযোগী নির্ভেজাল একটি আবাসনের স্বপ্ন প্রতিটি মানুষের।

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে পোস্তগোলা ও বাবুবাজার সেতু হয়ে মাত্র ৫ কিমি দূরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ষ্ট্যান্ড বাজারের পাশেই গড়ে তোলা হয়েছে আল বাক্কা আবাসন সিটি

রাজধানীর এতকম দূরত্বে এত সুন্দর পরিবেশে, এত স্বল্পমূল্যে অতি সহজে স্বপ্নপূরণে আপনি হবেন আমাদের সঙ্গী আর আমরা থাকবো আপনার সহযোগী, ইনশাআল্লাহ।

 

গত কয়েক বছরে আমরা শত শত পরিবারকে তাদের স্বপ্নের জমি ও ফ্ল্যাট প্রদান করেছি। আমাদের প্রতিটি প্রজেক্ট সততা, স্বচ্ছতা এবং মানসম্পন্ন সেবার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

আবাসন সিটি

সুন্দর আবাসিক প্রকল্প

প্রকল্পের বৈশিষ্ট্য

আল বাক্কা আবাসন সিটির বিশেষ সুবিধাসমূহ

রাজধানীর নিকটবর্তী অবস্থান

মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে মাত্র ৫ কি.মি. দূরত্বে। পোস্তগোলা ও বাবুবাজার সেতু হয়ে মাত্র ১০ মিনিটের পথ।

সহজ ও সুবিধাজনক যাতায়াত

যাতায়াতের সহজ ও সুবিধাজনক সুব্যবস্থা বিদ্যমান।

অভিজ্ঞ পরিকল্পনাবিদ

অভিজ্ঞ নগর পরিকল্পনাবিদ ও সুদক্ষ স্থপতিগণের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।

পরিকল্পিত নাগরিক সুবিধা

পরিকল্পিতভাবে নাগরিক সুবিধা প্রদান ও যথাসময়ে হস্তান্তরের নিশ্চয়তা।

প্রশস্ত রোড নেটওয়ার্কিং

প্রশস্ত ও সুবিন্যস্ত অভ্যন্তরীণ রোড নেটওয়ার্কিং।

রাজউকের নীতিমালা অনুসরণ

রাজউকের নীতিমালার যথাযথ অনুসরণ নিশ্চিত করা হয়।

বায়ু ও শব্দদূষণ মুক্ত পরিবেশ

বায়ু ও শব্দদূষণ মুক্ত সুন্দর নিরিবিলি পরিবেশ।

সাশ্রয়ী মূল্যে নির্ভেজাল জমি

নিষ্কণ্টক নির্ভেজাল জমি ও সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার উপযোগী।

প্রকৃতির নৈসর্গিক পরিবেশ

সর্বোপরি প্রকৃতির নির্মল নৈসর্গিক পরিবেশের সরব উপস্থিতি।

মসজিদ ও দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

হাতের নাগালে মসজিদ, দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ।

আল বাক্কা আবাসন সিটির অবস্থান

মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে মাত্র ৫ কি.মি. দূরত্বে। পোস্তগোলা ও বাবুবাজার সেতু হয়ে মাত্র ১০ মিনিঅত্র এলাকার প্রাচীনতম বিবির বাজার, বেশকিছু আবাসন প্রজেক্ট। বুড়িগঙ্গার তীরঘেষে রয়েছে পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার পোর্টসহ দেশের বেশ কিছু বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান। পাশেই রয়েছে সরকারী-বেসরকারী জেনারেল ও দীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রস্তাবিত বৃহৎ শপিংমল। টের পথ।

অতিপরিচিত স্ট্যান্ডবাজার ও ঢাকা-বেতকা-মুন্সিগঞ্জ মহাসড়ক। রয়েছে সরকারী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত মূল ক্যাম্পাস, কেন্দ্রীয় কারাগার, র‍্যাব-১০ এর হেডকোয়ার্টার। প্রকল্পের আধা কি.মি. এর মধ্যেই নির্মিত হচ্ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলগামী রেলযাত্রীদের জন্য সর্ববৃহৎ রেলস্টেশন।

বনগাঁও অধ্যাপক হামিদুর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়াম, বসুন্ধরা রিভারভিউ, সরকারি DOHS সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। প্রস্তাবিত ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এবং কলেজ ভবিষ্যতে আমাদের প্রজেক্ট সংলগ্ন এলাকায় হবে। দেশের সর্বাধুনিক স্যাটেলাইট এপার্টমেন্ট সিটি ঝিলমিল।

মোল্লাবাজার, নবনির্মিত সরকারী শিশুপার্ক, কিংডম সিটি, বসুন্ধরা দক্ষিণা, নিউভিশন আবাসন প্রজেক্ট, ধলেশ্বরীর শাখানদী। সর্বোপরি ঢাকা-মুন্সীগঞ্জ মহাসড়কের কোলঘেষে চারিদিকে উল্লেখযোগ্য অসংখ্য স্থাপনা।

রেলপথ সমৃদ্ধ পদ্মাসেতু ও দেশের একমাত্র এক্সপ্রেসওয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এ সেতুর কারণে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ক ৪ লেন থেকে ৮ লেনে উন্নীত হয়েছে। আমাদের আবাসন প্রকল্পটি নবনির্মিত রেলস্টেশন সংলগ্ন এবং মহাসড়কের অতি নিকটে অবস্থিত।

রাজউক-এর ঝিলমিল, সাউথটাউন উপশহর, প্রিয়প্রাঙ্গন, কেন্দ্রীয় কারাগার ও সরকারী DOHS, র‍্যাব-১০ হেডকোয়ার্টার, দেশের অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট সিটি হয়ে আমাদের প্রকল্পে যোগাযোগের জন্য একদিকে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার দিয়ে দোলাইপাড় থেকে সামনেই বুড়িগঙ্গা সেতু। অন্যদিকে কিছুদিনের মধ্যেই শান্তিনগর থেকে কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল টাউন পর্যন্ত আসবে আরেকটি ফ্লাইওভার। যেকারণে আমাদের প্রকল্প হবে অনেকটা রাজধানীর বারান্দার মত, যা অতিদ্রুত রাজধানী ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ঢাকা পশ্চিম সিটি কর্পোরেশন নামে ঘোষণা হয়েছে।

প্রকল্প থেকে যেকোনো দিকে যাতায়াতের জন্য কাছেই সববৃহৎ রেলস্টেশন, নিকটবর্তী মহাসড়কের অবস্থানের কারণে আল বাক্কা আবাসন সিটির বাসিন্দাদের জন্য প্রকল্পটি হবে সোনায় সোহাগার মত।

সর্বোপরি প্রস্তাবিত সদরঘাটের বর্তমান লঞ্চ টার্মিনালটি ভবিষ্যতে আমাদের প্রকল্পের পূর্ব পাশে হওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থার সবকটি জানালা খুলে দিবে আল বাক্কা আবাসন সিটি। জ্ঞানীদের কথা- ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না।

তাই, আপনিও ভেবে-চিন্তে আমাদের প্রকল্পের অবস্থান মূল্যায়ন করুন। নিজ আবাসন গড়ুন কিংবা বিনিয়োগ করুন, প্রকল্পটি আপনার সফলতার দ্বার খুলে দিবে শতভাগ ইনশাআল্লাহ। এটাই আমাদের বিশ্বাস।

প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য

আবাসন সিটি প্রকল্পের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে দেখুন।

প্রকল্পের নাম

আবাসন সিটি

অবস্থান

বরিশাল, বাংলাদেশ

মোট জমির পরিমাণ

২০০ একর (প্রায়)

প্লটের সংখ্যা

৫০০+ প্লট

প্লটের সাইজ

৩ কাঠা / ৫ কাঠা

ডেভেলপার কোম্পানি

আল-বাক্কাহ

প্রকল্পের ধরন

আবাসিক হাউজিং

যোগাযোগ নম্বর

+880 1700-000000

🗺️ আবাসন সিটি – মাস্টার প্ল্যান

প্রকল্পের চিত্র সংকলন

প্লট বরাদ্দের নিয়ম ও শর্তাবলী

বিনিয়োগের আগে জানুন গুরুত্বপূর্ণ শর্তসমূহ

১. আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে প্লট বুকিং চলছে। বুকিংমানি কাঠা প্রতি ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।
 
২. প্লট বুকিং মালিকানা পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে কোম্পানী নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে মালিকানা পরিবর্তন করা যাবে। মালিকানা পরিবর্তন ফি প্রতি প্লটের জন্য ৫০,০০০/- (পঞ্চাশ হাজার) টাকা।
 
৩. বুকিং পরবর্তী এক প্লট থেকে অন্য প্লটে পরিবর্তনের সুযোগ কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না।
 
৪. প্লট নির্ধারিত সময়ে বুঝে পাওয়ার জন্য কিস্তির টাকা যথাসময়ে এবং সকল পেমেন্ট আল বাক্কা করপোরেশন লি. এর অনুকূলে ক্যাশ/ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডারের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।
 
৫. কোন গ্রাহক বুকিং পরবর্তী প্লটের কিস্তি প্রদানে অসমর্থ হলে কোম্পানীর নিয়ম অনুযায়ী সেই প্লটের মোট মূল্যের ১০% সার্ভিসচার্জ কর্তন করে বাকী অর্থ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং উক্ত প্লট অন্যত্র বিক্রি হওয়া সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে ফেরত দেওয়া হবে।
 
৬. কিস্তির টাকা পরিশোধের ক্ষেত্রে ৯০ দিন পর্যন্ত অপরিশোধিত অর্থের উপর ১০% হারে বিলম্ব চার্জ প্রদান সাপেক্ষে কিস্তি পরিশোধ করা যাবে।
কিস্তির টাকা ৯০ দিনের মধ্যে প্রদান করতে ব্যর্থ হলে ১৫ কার্যদিবসের নোটিশে কোম্পানী বুকিংকৃত প্লট বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করে।
 
৮. প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, সরকারী সিদ্ধান্ত বা নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত অন্য কোন কারণে প্রকল্পের উন্নয়ন ও হস্তান্তর বিলম্বিত হলে কোম্পানী দায়ী থাকবে না।
 
৯. প্লটের মূল্য কোম্পানীর মূল্যতালিকা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। যে কোন সময় মূল্যতালিকা পরিবর্তনের অধিকার কোম্পানী সংরক্ষণ করে।

সুবিধাজনক যোগাযোগ ব্যবস্থা

আবাসন সিটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত, যা শহরের প্রধান এলাকাগুলোর সাথে সহজে সংযুক্ত। নিকটবর্তী এলাকায় রয়েছে স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, বাজার এবং পাবলিক পরিবহন ব্যবস্থা।

Scroll to Top